• সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:০২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
দেবিদ্বার উপজেলার রাজামেহের বাজারে ভুয়া ডাক্তার সনাক্ত এলাহাবাদ ইউনিয়নের কাচিসাইর এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ দেবিদ্বারে ভেজাল খাদ্য উৎপাদন, ৪ লাখ টাকা জরিমানা আব্দুল্লাহপুরে অবমুক্ত হলো শতবর্ষী খালঃ কৃষকের মুখে হাসি দেবিদ্বার উপজেলার পূর্ব ফতেহাবাদ গ্রামে পা-বাঁধা অবস্থায় গৃহিণীর লাশ উদ্ধার কাল থেকে শুরু হচ্ছে দেবিদ্বার উপাজেলার ইউনিয়ন পর্যায়ে গণটিকাদান ক্যাম্পেইন (২য় ডোজ) ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন- ফতেহাবাদ ইউনিয়নে আলোচনায় রয়েছেন যেসব প্রার্থী দেবিদ্বার অফিস ইন-চার্জের নেতৃত্বে চুরি হওয়া মোবাইল উদ্ধার দেবিদ্বারে নারীকে লাঠিপেটার ভিডিও ভাইরালঃ র‌্যাব পুলিশের অভিযানে আটক ৪ আশানপুর নবজাগরণ সংঘের উদ্যোগে রাস্তা সংস্কার

দেবিদ্বার উপজেলার পূর্ব ফতেহাবাদ গ্রামে পা-বাঁধা অবস্থায় গৃহিণীর লাশ উদ্ধার

নিসস্ব প্রতিবেদক / ৫৩ ভিউ
তারিখ- মঙ্গলবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১
দেবিদ্বারে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার

দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের পূর্ব ফতেহাবাদ গ্রামে একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। মাজেদা বেগম (৫০) নামে একজন গৃহিণীর পা বাঁধা অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।তিনি মরহুম শিক্ষক মনিরুল ইসলাম সরকারের স্ত্রী। উদ্ধারের সময় তার পা বাঁধা ছিলো এবং শরীরে কাদা দেখা যায়। ধারণা করা হয় ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার দিবাগত রাতের যেকোন এক সময়।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, আজ (মঙ্গল বার) সকাল ৯ টায় পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক প্রতিবেশী মোঃ হান্নান এ বাড়ির ডালপালা কেটে পরিষ্কার করতে আসেন। তার ভাষ্যমতে, ” বাড়িতে ঢুকে প্রধান গেট খোলা পাই। ভাবিকে ডেকে ডেকে সাড়া না পাওয়ায় ঘরের সামনে যাই। গিয়ে দেখি ঘরের দরজা খোলা। পর্দা টেনে দেখি কাদামাখা দেহ মেঝেতে পড়ে আছে। উত্তর দিকে মাথা ও দক্ষিণ দিকে পা। অনেকবার ডাকাডাকি করেছি কিন্তু কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে ধাক্কা দিয়ে দেখি শরীর ঠান্ডা ও শক্ত। মাথার পাশেই কাদাযুক্ত একটি বালিশ পরে আছে এবং পা গুলো বাঁধা। পরে আমার চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে আসে”

সংবাদ পেয়ে দুপুর ১২ টার দিকে দেবিদ্বার থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) ইখতিয়ার আহমেদ একদল পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে আসেন। তারা ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেন।

স্থানীয় লোকজনের ভাষ্যমতে, এলাকায় উঠতি বয়সী মাদক সেবনকারীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। প্রতিবেশী আমেনা বেগম জানান, অর্থের জন্য ওরা এমন কাজ করতে পারে। উল্লেখ্য, নিহতার গলায় স্বর্ণের চিকন চেইন, হাতে চিকন চুড়ি এবং কানে স্বর্ণের দুল ছিলো, যা মরদেহ উদ্ধারের সময় পাওয়া যায়নি।

নিহতার স্বামী শিক্ষক মনিরুল ইসলাম ১৯৮৯ সালে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তাদের দুই পুত্র ও দুই কন্যা সন্তান রয়েছে।সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিহতার ২ মেয়ের স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দেবিদ্বার থানায় আনা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

এই সেকশনের আরও খবর পড়ুন

সাম্প্রতিক পোস্ট